অধ্যক্ষের বার্তা

দীর্ঘদিন ধরে রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রাম ও চরমোহনা গ্রামে কোন হাইস্কুল এবং কলেজ ছিল না । অবশেষে ২০১১ সালে বিশিষ্ট, শিক্ষাবিদ ঢাকা কর্মাস কলেজের উদ্যোক্তা , প্রতিষ্ঠতা ও সাবেক অধ্যক্ষ এবং Bangladesh University of Business and Technology (BUBT) এর উদ্যোক্তা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রফেসর কাজী মোঃ নুরুল ইসলাম ফারুকী স্যার নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন “প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল্ এন্ড কলেজ বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিষ্টানটি গ্রামে হলে ও এখানকার লেখা পড়ার সকল পদ্ধতিই হচ্ছে ঢাকায় আদলে । এসএসসি ও এইচএসসি বোর্ড  পরীক্ষায় জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্ত মানে দেশের প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অধ্যয়ন করছে। মেডিকেলেও রয়েছে প্রায় ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী । এসব কিছুর পিছনে রয়েছে প্রফেসর কাজী মোঃ নুরুল ইসলাম ফারুকী স্যারের দিক নির্দেশনা সততা, নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রক দক্ষ প্রশাসনিক গুনাবলি এবং কতব্যপরাযণতা । ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে চূড়ান্তভাবে পাঠদানের অনুমোদ দেয়। বর্তমানে ডিপ্লোমা—ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা—ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা—ইন ইলেট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ এ পাঠদান কার্যক্রম চলছে। প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের একাডেমিক ভবন—২ ( জয়নব বানু) এ প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি’র শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। দুরবর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের রয়েছে ছাত্র এবং ছাত্রীদের জন্য পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ছাত্রদের জন্য প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে নির্মাণ করা হয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল ভবন। ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ উক্ত ভবনের উদ্বোধন করেন প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী মো. নুরুল ইসলাম ফারুকী। প্রথম থেকে প্রফেসর কাজী ফারুকী মোঃ নুরুল ইসলাম ফারুকী স্যারের চিন্তা ছিল যে স্কুল ও কলেজের ফিডার ইন্সটিটিউশন হিসেবে শিশুদের জন্য শহরীয় আদলে স্কুল ও কলেজের প্রাইমারী শাখা হিসেবে মানসম্মত্ একটি কিন্টারগার্টেন প্রতিষ্ঠা করার। কিন্তু স্কুল কলেজের কাজ নিয়ে তিনি খুব ব্যস্ত হয়ে পড়ায় শিশুকানন প্রতিষ্ঠা করতে একটু বিলম্ব হয় । পরর্বতীতে অত্র এলাকায় মানসম্মত কোন কিন্টারগার্টেন না থাকায় শিশুদের জন্য কিন্টারগার্টেন প্রতিষ্টার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায় । অবশেষে ফিডার ইন্সটিটউশন হিসেবে স্কুল ও কলেজের নিবাহী কমিটির সিন্ধান্ত চুড়ান্ত ২০১৪ সালে মানসম্মত ও যুগোপযোগী কিন্টারগার্টেন প্রতিষ্টা করার সিন্ধান্ত গৃহীত হয় । যার নাম করণ করা হয় কে এফ এস পি (প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ)শিশুকানন । যেখানে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হবে। স্কুল ও কলেজ শিশুকানন ক্লাস কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। আল্লহর অশেষ রহমতে কাজী ফারুকী স্যারের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ১ জানুয়ারি ২০২৪ শিশুকানন নিজস্ব ভবন উদ্ভোধন করা হয়েছে । বর্তমানে সেখানে ক্লাস কার্যক্রম চলছে।  শিশুদের সুপ্তমেধা ও প্রতিভা বিকাশের সহায়ক বিষয় গুলোর প্রতি লক্ষ্য রেখে কে এফ এস পি (প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ) শিশুকাননের পরিবেশ ও পাঠদান পদ্ধতি সুবিন্যস্ত করা হয়েছে আপনারা জানেন মেধার পরিপূণ বিকাশের জন্য সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের গুরুত্ব পরিহায। শিশুরা যাতে বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসে এবং আনন্দের সাথে খেলতে খেলতে পাঠ শিখতে পারে সে জন্য স্কুল প্রাঙ্গনে বিভিন্ন প্রকার খেলার সামগ্রি ও উপকরণ রখা হয়েছে । শিশুদের বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে মিনি শিশুপার্ক । শ্রেণি কক্ষে ব্যব্হার করা হচ্ছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর। অপরদিকে শিশুদের পাঠদান ও সযত্ন পরিচর্যার জন্য রয়েছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত , উদ্যমী , অভিজ্ঞ ও মেধাবী শিক্ষকবৃন্দ। পাঠ্যক্রম অনুসরণের ক্ষেত্রে বোড অনুমোদিত Curriculum অনুযায়ী পাঠদান করা হচ্ছ । আপনারা জানেন যে , বাজারে শিশু সম্পর্কিত যে সমস্ত বই রয়েছে সে বই গুলো শিশুদের বয়স অনুসারে বোঝানোর ক্ষেত্রে সমস্যার পড়তে হচ্ছে । দেখা যায় বইতে এতো কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা উচ্চারণ করতে বা পড়তে শিশু কিংবা তার অভিভাবকগন কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। সেই সমস্ত সমস্যার কথা চিন্তা করে শিশুদের বোঝার উপযোগী করে কে এফ এস পি প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজর শিশুকানন নিজস্ব বই প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহন করেছে , যা লক্ষ্মীপুর জেলার আর কোনো প্রতিষ্টানে নেই বলে আমার মনে হয়। এছাড়া ও ইংরেজী , গনিত, আরবি ও বিজ্ঞান বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্বরোপ করা হয়েছে । ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু করা হয়েছে ইংরেজি ভার্সন। শিশুরা হচ্ছে আগামী দিনের দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। আর শিক্ষার প্রাথমিক স্তর হচ্ছে প্রাইমারি/ শিশুশিক্ষা তাই ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য শিশুশিক্ষা অপরিহার্য । তবে এর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ , যথাথ পরিচযা যুগোযোগী ও আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি। আর শিশুদের এসব সহজাত প্রবৃত্তি এবং তাদের সুপ্ত মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সহায়ক বিষয় গুলোর প্রতি লক্ষ্য রেখে “কে এফ এস সি শিশুকানন” পরিবেশ ও পাঠদান পদ্ধতি সুবিন্যাস্তর করা হয়েছে। শিশুরা যাতে বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসে এবং আনন্দের সাথে খেলতে খেলতে পাঠ শিখতে পারে সে জন্য স্কুল প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রকার খেলার সামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুকাননে পযন্ত পরিমাণে শিক্ষা সহায়ক উপকরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আমার মনে করি আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা , সমর্থন এবং ভালোবাসা পেলে “কে এফ এস সি শিশুকানন শিক্ষাক্ষেত্রে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত হবে ‘ইন শা আল্লাহ। আপনার আমাদের সহযোগি হবেন – এ আমাদের প্রত্যাশা.
নোটিশ বোর্ড
সবগুলো দেখুন